August 9, 2026, 9:55 am
বিশেষ প্রতিবেদক: সম্প্রতি ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য ডা. মোজাম্মেল হোসেন। দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে তিনি বাগেরহাটসহ গোটা দক্ষিণাঞ্চলে আওয়ামী লীগকে সুসংগঠিত করেছেন। ১৯৯৬ সালে ডা. মোজাম্মেলকে নারী-শিশু ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাগেরহাটে আওয়ামী লীগের দুর্দিনে ডাক্তার সাহেবের বাড়িতে আশ্রয় নিতেন নিপীড়িত নেতাকর্মীরা। তিনি বিনাপয়সায় বহু রোগীকে চিকিৎসাসেবা দিয়েছেন। তারা বলছেন, ডাক্তার মোজাম্মেলের হাত ধরে বাগেরহাটের বহু মানুষের কর্মসংস্থানের পথ সুগম হয়েছে। সরকারের সামাজিক সুরক্ষা নীতির অনেক কিছু বাস্তবায়নের কারিগর ছিলেন তিনি। ৩ বছর আগে এক অনুষ্ঠানে ডাক্তার মোজাম্মেলের উপস্থিতিতেই তার সমাজ কল্যাণমূলক নানা অবদানের কথা অকপটে স্বীকার করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দল ও দেশের জন্য ডাক্তার মোজাম্মেলের ত্যাগের কথা পার্লামেন্টেও শোক প্রস্তাবে আলোচনা করেছেন তার সহযোদ্ধারা। তার মৃত্যুর শোক কাটতে না কাটতেই উপ-নির্বাচনে কে প্রার্থী হবেন, তা নিয়ে এলাকাজুড়ে চলছে নানা জল্পনা। এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর এবং আওয়ামী লীগের সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে দৌঁড়ঝাপ শুরু করেছেন অনেকে। জোর আলোচনায় আছেন তার ছেলে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মাহমুদ হোসেন। তাকে প্রার্থী করার দাবি তুলেছেন মোরেলগঞ্জ-শরণখোলার বেশিরভাগ নেতাকর্মী। অনেকে বলছেন, এ আসনে আগামী দিনে ডাক্তার মোজাম্মেলের সুযোগ্য উত্তরসুরী হতে পারেন একমাত্র তার সন্তান, বিশিষ্ট পরিবেশবিজ্ঞানী ও সুন্দরবন গবেষক ড. মাহমুদ। বাগেরহাটের নেতাকর্মীরা বলছেন, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়োজেদ জয় যে তারুণ্যনির্ভর ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেন, আগামী দিনে তা বাস্তবায়নে দক্ষিণবঙ্গের কাÐারি হতে পারেন ড. মাহমুদ। এরই মধ্যে ড. মাহমুদকে প্রার্থী করতে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ফ্রান্স ও মালয়েশিয়ার একাধিক প্রবাসী নেতা বিবৃতিও দিয়েছেন। তারা বলছেন, মোরেলগঞ্জবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ছিলো পানগুছি নদীর ওপর সেতু স্থাপন। ডাক্তার মোজাম্মেলের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এরইমরধ্যে এটির কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সাইনবোর্ড বাজার থেকে শরণখোলা পর্যন্ত ৮০ ফিট রাস্তা তৈরি হয় ডাক্তারের প্রচেষ্টা